হাওজা নিউজ এজেন্সি: আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) শহীদ সচিব ড. আলী লারিজানি ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদাতের প্রতিশোধ হিসেবে ‘ইয়া ইমাম হুসাইন (আ.)’ সাংকেতিক নামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দখলদার ইসরায়েলি শাসনের নৃশংসতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত তেল আবিবে একযোগে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। অভিযানে বহু-ওয়ারহেড বিশিষ্ট ‘খোররামশাহর–৪’ ও ‘ক্বদর’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ‘ইমাদ’ ও ‘খায়বার শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
আইআরজিসি আরও জানায়, ইসরায়েলি শাসনের বহুস্তরবিশিষ্ট ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ার প্রেক্ষাপটে এসব ক্ষেপণাস্ত্র অধিকৃত ভূখণ্ডে অবস্থিত প্রায় ১০০টি সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনায় নির্ভুলভাবে আঘাত হানে।
বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, প্রাথমিক হিসেবে এ হামলায় ২৩০ জনের বেশি নিহত ও আহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আপনার কমেন্ট